আমরা জানি, সৃষ্টির পর থেকে মানুষ এবং মানবসভ্যতা একটি পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে আজকের রূপ পেয়েছে। এই পৃথিবীর আদিমতম মানুষগুলোর উচ্চতা ছিল বর্তমান সময়ের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি! এটি ছাড়াও মানব শরীর সময়ের সাথে অনেক নতুন জিনিসের সাথে খাপ খাইয়ে নিয়েছে। আমরা হয়ে উঠেছি পৃথিবীতে বসবাসের জন্য আরও উপযুক্ত। এখন থেকে ঠিক ১০০০ বছর পর আমরা দেখতে কেমন হব? একজন মানুষ হিসেবে আমাদের শরীরে কি-কি পরিবর্তন ঘটবে? এই কল্পনা নিয়েই আজকের লেখাটি।
পরিবর্তনের প্রথমেই আমাদের উচ্চতা নিয়ে কথা বলা যাক। গত ১৫০ বছরে আমাদের গড় উচ্চতা ছিল ৫'৭'' এর কাছাকাছি। বর্তমানে ৫'১০''। আগামী ১০০০ বছর পর গড় উচ্চতা অনেকটুকুই বাড়বে মানুষের। তার মানে আমরা সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে আরেকটু লম্বা হব।
প্রযুক্তি পণ্যের প্রসারের সাথে-সাথে আমরা প্রতিনিয়ত নিজেদেরকে বদলে ফেলছি। নিজেদের সীমাবদ্ধতাকে দূর করার জন্য ইতোমধ্যে অনেকগুলো প্রযুক্তি পণ্য আবিষ্কার হয়েছে। যেমন: 'হিয়ারিং এইডের' কথাই ধরা যাক। এটার সাহায্যে যেকোন বধির মানুষ শোনার ক্ষমতা ফিরে পাচ্ছে। আমাদের হার্ট, দৃষ্টিশক্তি নিয়েও নিত্যনতুন গবেষণা হচ্ছে। আজ থেকে ১০০০ বছর পর আমাদের মাঝে অন্ধ মানুষ থাকবে না, সেইসাথে বর্তমানে আমাদের কাছে যা অদৃশ্য; এমন অনেক বস্তু খালি চোখে দেখার মত ক্ষমতা তৈরি হবে আমাদের মাঝে! তখন আমরা অবলোহিত আলোর কল্যাণে রাতের অন্ধকারেও দেখতে পারব। কিংবা আমাদের চোখই এক্সরে হিসেবে কাজ করবে!
এটার সাথে-সাথে হার্ট এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ প্রতিস্থাপনেও সাফল্য আসবে। হয়তো পুরো মানুষটাই ব্র্যান্ড নিউ হয়ে যাবে! শুধু তাই নয়, আমাদেন জিনগত অনেক পরিবর্তন সাধিত হবে পরিবর্তিত পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে। অনেক মরণব্যাধি পৃথিবী থেকে বিদায় নিবে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, আফ্রিকার অনেকেই এইডস্ এর জীবাণু নিয়েও স্বাভাবিক জীবন-যাপণ করছেন। তাই আজ থেকে ১০০০ বছর পর আমরা এমন এক প্রজাতির মানুষ পেতে যাচ্ছি, যারা রোগ-জীবাণু এবং প্রতিকূল পরিবেশের সাথে দারুণভাবে খাপ খাইয়ে নিবে। হয়তো আপনি সেটা দেখে যেতে পারবেন না। যদি না জিনগত পরিবর্তন ঘটিয়ে আপনিও হাজার বছর বেঁচে থাকার মত উপায় বের করে ফেলেন! কে জানে, এটাও হয়তো বাস্তব হতে পারে ১০০০ বছর পর।
বিজ্ঞানীরা বর্তমানে ইঁদুরের ব্রেন অদল-বদল ঘটিয়ে ইঁদুরের স্মৃতি সংরক্ষণ করে সফলতা পেয়েছেন। তাই বলা যায়, হাজারখানেক বছর পরেও আপনার স্মৃতি অন্য কেউ বয়ে বেড়াবে! কিংবা আপনার স্মৃতি কম্পিউটারের হার্ডডিস্কে হাজার বছর জমা থাকবে।
কখনো যদি মানুষকে বাধ্য হয়ে মঙ্গলে বসবাস করতে হয়, তবে প্রথমত মানুষের চোখের পিউপিলের আকার বৃদ্ধি পাবে। কারণ পৃথিবীর তুলনায় মঙ্গলে ৬৬ শতাংশ কম সূর্যের আলো পৌঁছায়। তাই ভালো করে দেখতে হলে মানুষের চোখের পিউপিল প্রসারিত করতে হবে। এটা ছাড়াও মঙ্গলে মানুষের উচ্চতা পৃথিবীর তুলনায় বেশি হবে। কারণ পৃথিবীর তুলনায় সেখানকার গ্র্যাভিটেশন বল কম। যার কারণে মানুষের স্পাইনাল দ্রুত বাড়ার সুযোগ পাবে। কিন্তু পৃথিবীর গ্র্যাভিটেশন বল বেশি হওয়ায় আমাদের বৃদ্ধি কিছুটা ধীর গতির।
আজ থেকে ১০০০ বছর পর মানুষের শারীরিক শক্তি এবং পুষ্টির চাহিদা আরও ভালোভাবে পূরণ হবে। উচ্চ খাদ্যশক্তিতে ভরপুর শস্য উৎপাদনের মাধ্যমে মানুষ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে, এবং অল্প খেয়ে বেশি পুষ্টি পাওয়ার মত খাদ্য আমাদের তালিকায় যুক্ত হবে। পরিবেশ দূষণ রোধে কার্যকরী হবে আমাদের সরকারগুলো এবং মানুষও প্রযুক্তির কল্যাণে আরও সচেতন হয়ে উঠবে। তবে রাষ্ট্রগুলো আরও ছোট হয়ে যাবে আকারে। ইতোমধ্যে পৃথিবীর একটা বড় অংশ সমুদ্রে হারিয়ে যাবে।
আমরা সৃষ্টির পর থেকে নিজেদের বদলের মধ্যে রাখতে পেরেছি। যা আমাদেরকে আজকের বর্তমানে আনতে পেরেছে। পৃথিবীর সবচেয়ে সফলতম টিকে থাকা প্রাণিগুলোর ভেতর মানুষ অন্যতম। তাই নিজেদের যত পরিবর্তনের ভেতর রাখতে পারব, তত এই গ্রহটির সাথে মানিয়ে নিতে পারব আমরা। যেখানে গতিই জীবন, আর স্থিতি মানে মৃত্যু।
পরিবর্তনের প্রথমেই আমাদের উচ্চতা নিয়ে কথা বলা যাক। গত ১৫০ বছরে আমাদের গড় উচ্চতা ছিল ৫'৭'' এর কাছাকাছি। বর্তমানে ৫'১০''। আগামী ১০০০ বছর পর গড় উচ্চতা অনেকটুকুই বাড়বে মানুষের। তার মানে আমরা সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে আরেকটু লম্বা হব।
প্রযুক্তি পণ্যের প্রসারের সাথে-সাথে আমরা প্রতিনিয়ত নিজেদেরকে বদলে ফেলছি। নিজেদের সীমাবদ্ধতাকে দূর করার জন্য ইতোমধ্যে অনেকগুলো প্রযুক্তি পণ্য আবিষ্কার হয়েছে। যেমন: 'হিয়ারিং এইডের' কথাই ধরা যাক। এটার সাহায্যে যেকোন বধির মানুষ শোনার ক্ষমতা ফিরে পাচ্ছে। আমাদের হার্ট, দৃষ্টিশক্তি নিয়েও নিত্যনতুন গবেষণা হচ্ছে। আজ থেকে ১০০০ বছর পর আমাদের মাঝে অন্ধ মানুষ থাকবে না, সেইসাথে বর্তমানে আমাদের কাছে যা অদৃশ্য; এমন অনেক বস্তু খালি চোখে দেখার মত ক্ষমতা তৈরি হবে আমাদের মাঝে! তখন আমরা অবলোহিত আলোর কল্যাণে রাতের অন্ধকারেও দেখতে পারব। কিংবা আমাদের চোখই এক্সরে হিসেবে কাজ করবে!
![]() |
| আমাদের চোখ বায়োনিক চোখের মাধ্যমে প্রতিস্থাপিত হবে |
এটার সাথে-সাথে হার্ট এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ প্রতিস্থাপনেও সাফল্য আসবে। হয়তো পুরো মানুষটাই ব্র্যান্ড নিউ হয়ে যাবে! শুধু তাই নয়, আমাদেন জিনগত অনেক পরিবর্তন সাধিত হবে পরিবর্তিত পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে। অনেক মরণব্যাধি পৃথিবী থেকে বিদায় নিবে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, আফ্রিকার অনেকেই এইডস্ এর জীবাণু নিয়েও স্বাভাবিক জীবন-যাপণ করছেন। তাই আজ থেকে ১০০০ বছর পর আমরা এমন এক প্রজাতির মানুষ পেতে যাচ্ছি, যারা রোগ-জীবাণু এবং প্রতিকূল পরিবেশের সাথে দারুণভাবে খাপ খাইয়ে নিবে। হয়তো আপনি সেটা দেখে যেতে পারবেন না। যদি না জিনগত পরিবর্তন ঘটিয়ে আপনিও হাজার বছর বেঁচে থাকার মত উপায় বের করে ফেলেন! কে জানে, এটাও হয়তো বাস্তব হতে পারে ১০০০ বছর পর।
![]() |
| আবিষ্কার হয়ে যেতে পারে হাজার বছর বেঁচে থাকার ফর্মূলা |
বিজ্ঞানীরা বর্তমানে ইঁদুরের ব্রেন অদল-বদল ঘটিয়ে ইঁদুরের স্মৃতি সংরক্ষণ করে সফলতা পেয়েছেন। তাই বলা যায়, হাজারখানেক বছর পরেও আপনার স্মৃতি অন্য কেউ বয়ে বেড়াবে! কিংবা আপনার স্মৃতি কম্পিউটারের হার্ডডিস্কে হাজার বছর জমা থাকবে।
কখনো যদি মানুষকে বাধ্য হয়ে মঙ্গলে বসবাস করতে হয়, তবে প্রথমত মানুষের চোখের পিউপিলের আকার বৃদ্ধি পাবে। কারণ পৃথিবীর তুলনায় মঙ্গলে ৬৬ শতাংশ কম সূর্যের আলো পৌঁছায়। তাই ভালো করে দেখতে হলে মানুষের চোখের পিউপিল প্রসারিত করতে হবে। এটা ছাড়াও মঙ্গলে মানুষের উচ্চতা পৃথিবীর তুলনায় বেশি হবে। কারণ পৃথিবীর তুলনায় সেখানকার গ্র্যাভিটেশন বল কম। যার কারণে মানুষের স্পাইনাল দ্রুত বাড়ার সুযোগ পাবে। কিন্তু পৃথিবীর গ্র্যাভিটেশন বল বেশি হওয়ায় আমাদের বৃদ্ধি কিছুটা ধীর গতির।
আজ থেকে ১০০০ বছর পর মানুষের শারীরিক শক্তি এবং পুষ্টির চাহিদা আরও ভালোভাবে পূরণ হবে। উচ্চ খাদ্যশক্তিতে ভরপুর শস্য উৎপাদনের মাধ্যমে মানুষ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে, এবং অল্প খেয়ে বেশি পুষ্টি পাওয়ার মত খাদ্য আমাদের তালিকায় যুক্ত হবে। পরিবেশ দূষণ রোধে কার্যকরী হবে আমাদের সরকারগুলো এবং মানুষও প্রযুক্তির কল্যাণে আরও সচেতন হয়ে উঠবে। তবে রাষ্ট্রগুলো আরও ছোট হয়ে যাবে আকারে। ইতোমধ্যে পৃথিবীর একটা বড় অংশ সমুদ্রে হারিয়ে যাবে।
আমরা সৃষ্টির পর থেকে নিজেদের বদলের মধ্যে রাখতে পেরেছি। যা আমাদেরকে আজকের বর্তমানে আনতে পেরেছে। পৃথিবীর সবচেয়ে সফলতম টিকে থাকা প্রাণিগুলোর ভেতর মানুষ অন্যতম। তাই নিজেদের যত পরিবর্তনের ভেতর রাখতে পারব, তত এই গ্রহটির সাথে মানিয়ে নিতে পারব আমরা। যেখানে গতিই জীবন, আর স্থিতি মানে মৃত্যু।








0 comments:
Post a Comment