পৃথিবীতে মানুষের আগমনের পর, মনের ভাব প্রকাশ কিংবা প্রতিদিনের কাজ-কর্মের প্রয়োজনে আমরা একটা মাধ্যম তৈরি করেছিলাম। যাকে আমরা ভাষা বলি। মনের অনুভূতি প্রকাশের একমাত্র মাধ্যমটি হলো ভাষা।
সময় থেকে সময়ে, জনপদ থেকে জনপদে, মানুষের যোগাযোগের মাধ্যম ভাষাও নিজের রূপ বদলাতে শুরু করে। যার ফলাফল হিসেবে পৃথিবীতে আজ পর্যন্ত সৃষ্টি হয়েছে অগণিত ভাষা। তাদের বেশিরভাগই সময়ের সাথে হারিয়ে গেছে। বর্তমানে পৃথিবীতে ৬০০০ এর মত ভাষা রয়েছে। যার ভেতর শিস ভাষা একটি। তুরষ্কের একটি জনপদ নিজেদের সাথে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে, শিস ভাষা ব্যবহার করে।
ফ্লুয়েন্ট বাংলার আজকের পর্বে আমরা বিলুপ্তপ্রায় এই ভাষাটি সম্পর্কে জেনে নিব।
তুরস্কের অটোমান সাম্রাজ্য তখন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছিল। অটোমানরাই প্রথম 'শিস ভাষাকে' বিশ্বের কাছে পরিচিত করে দেয়। তবে তারা শিস ভাষাকে জোর করে কারও উপর চাপিয়ে দেয় নি। সাম্রাজ্য যত বাড়ছিল, অধিকৃত লোকালয়ের মানুষগুলোও নিজেদের প্রয়োজনে শিস ভাষা শিখে নেয়। এটা তাদেরকে অটোমানদের সাথে, তাদের সংস্কৃতির সাথে মানিয়ে নিতে সহায়তা করছিল।
সময়ের সাথে পৃথিবী বদলেছে। একসময়ের পরাশক্তি তুরস্ক এবং অটোমানরা একটা নির্দিষ্ট অঞ্চলের ভেতর আবদ্ধ হয় পড়ে। কিন্তু ৫০ বছর আগেও শিস ভাষাটি ছিল জীবন্ত।
তুরস্কের বহু অধিবাসী এই ভাষাটি ব্যবহার করলেও বর্তমানে 'ব্ল্যাক সি' এর কাছাকাছি কয়েকটি জনপদ এই ভাষায় কথা বলে।
শিস ভাষায়, মানুষ মুখে বিভিন্ন রিদমের শিস বাজিয়ে নিজেদের ভেতর যোগাযোগ রক্ষা করে। যা অনেকটা পাখির ডাকের মত। তুরস্কের 'কুসকয়' গ্রামের মানুষ আজও নিজেদের ভাষাটিকে জীবন্ত রেখেছেন। পাহাড়ের কোলে গড়ে ওঠা এই জনপদে প্রায় ১০০০০ মানুষ বাস করে। তাদের নিত্যদিনের যোগাযোগের মাধ্যম অদ্ভুদ এই ভাষাটি।
ইউনেস্কো বিলুপ্তপ্রায় ভাষাটিকে জীবন্ত রাখতে হাতে নেয় অনেকগুলো উদ্যোগ। যার একটি ধাপ হলো, ভাষাটি ইউনেস্কোর ইনটেনজিবল কালচারাল হেরিটেজ হিসেবে মর্যাদা লাভ করে। সেই জনপদে অনেকগুলো বিদ্যালয় তৈরি করা হয়েছে শুধুমাত্র এই ভাষাটি ছোটদের শেখানোর জন্য।
কিন্তু তারপরও এই গ্রামের মানুষদের মতে, প্রযুক্তির প্রসারের কারণে তাদের ভাষাটি একসময় সত্যিই বিলুপ্ত হয়ে যাবে। তাদের আশংকা সময়ই বলে দিবে।
সময় থেকে সময়ে, জনপদ থেকে জনপদে, মানুষের যোগাযোগের মাধ্যম ভাষাও নিজের রূপ বদলাতে শুরু করে। যার ফলাফল হিসেবে পৃথিবীতে আজ পর্যন্ত সৃষ্টি হয়েছে অগণিত ভাষা। তাদের বেশিরভাগই সময়ের সাথে হারিয়ে গেছে। বর্তমানে পৃথিবীতে ৬০০০ এর মত ভাষা রয়েছে। যার ভেতর শিস ভাষা একটি। তুরষ্কের একটি জনপদ নিজেদের সাথে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে, শিস ভাষা ব্যবহার করে।
ফ্লুয়েন্ট বাংলার আজকের পর্বে আমরা বিলুপ্তপ্রায় এই ভাষাটি সম্পর্কে জেনে নিব।
তুরস্কের অটোমান সাম্রাজ্য তখন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছিল। অটোমানরাই প্রথম 'শিস ভাষাকে' বিশ্বের কাছে পরিচিত করে দেয়। তবে তারা শিস ভাষাকে জোর করে কারও উপর চাপিয়ে দেয় নি। সাম্রাজ্য যত বাড়ছিল, অধিকৃত লোকালয়ের মানুষগুলোও নিজেদের প্রয়োজনে শিস ভাষা শিখে নেয়। এটা তাদেরকে অটোমানদের সাথে, তাদের সংস্কৃতির সাথে মানিয়ে নিতে সহায়তা করছিল।
সময়ের সাথে পৃথিবী বদলেছে। একসময়ের পরাশক্তি তুরস্ক এবং অটোমানরা একটা নির্দিষ্ট অঞ্চলের ভেতর আবদ্ধ হয় পড়ে। কিন্তু ৫০ বছর আগেও শিস ভাষাটি ছিল জীবন্ত।
তুরস্কের বহু অধিবাসী এই ভাষাটি ব্যবহার করলেও বর্তমানে 'ব্ল্যাক সি' এর কাছাকাছি কয়েকটি জনপদ এই ভাষায় কথা বলে।
শিস ভাষায়, মানুষ মুখে বিভিন্ন রিদমের শিস বাজিয়ে নিজেদের ভেতর যোগাযোগ রক্ষা করে। যা অনেকটা পাখির ডাকের মত। তুরস্কের 'কুসকয়' গ্রামের মানুষ আজও নিজেদের ভাষাটিকে জীবন্ত রেখেছেন। পাহাড়ের কোলে গড়ে ওঠা এই জনপদে প্রায় ১০০০০ মানুষ বাস করে। তাদের নিত্যদিনের যোগাযোগের মাধ্যম অদ্ভুদ এই ভাষাটি।
ইউনেস্কো বিলুপ্তপ্রায় ভাষাটিকে জীবন্ত রাখতে হাতে নেয় অনেকগুলো উদ্যোগ। যার একটি ধাপ হলো, ভাষাটি ইউনেস্কোর ইনটেনজিবল কালচারাল হেরিটেজ হিসেবে মর্যাদা লাভ করে। সেই জনপদে অনেকগুলো বিদ্যালয় তৈরি করা হয়েছে শুধুমাত্র এই ভাষাটি ছোটদের শেখানোর জন্য।
কিন্তু তারপরও এই গ্রামের মানুষদের মতে, প্রযুক্তির প্রসারের কারণে তাদের ভাষাটি একসময় সত্যিই বিলুপ্ত হয়ে যাবে। তাদের আশংকা সময়ই বলে দিবে।







0 comments:
Post a Comment