Monday, September 17, 2018

কেমন দেখতে হবে ভবিষ্যতের মানুষ!

আমরা জানি, সৃষ্টির পর থেকে মানুষ এবং মানবসভ্যতা একটি পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে আজকের রূপ পেয়েছে। এই পৃথিবীর আদিমতম মানুষগুলোর উচ্চতা ছিল বর্তমান সময়ের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি! এটি ছাড়াও মানব শরীর সময়ের সাথে অনেক নতুন জিনিসের সাথে খাপ খাইয়ে নিয়েছে। আমরা হয়ে উঠেছি পৃথিবীতে বসবাসের জন্য আরও উপযুক্ত। এখন থেকে ঠিক ১০০০ বছর পর আমরা দেখতে কেমন হব? একজন মানুষ হিসেবে আমাদের শরীরে কি-কি পরিবর্তন ঘটবে? এই কল্পনা নিয়েই আজকের লেখাটি।

পরিবর্তনের প্রথমেই আমাদের উচ্চতা নিয়ে কথা বলা যাক। গত ১৫০ বছরে আমাদের গড় উচ্চতা ছিল ৫'৭'' এর কাছাকাছি। বর্তমানে ৫'১০''। আগামী ১০০০ বছর পর গড় উচ্চতা অনেকটুকুই বাড়বে মানুষের। তার মানে আমরা সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে আরেকটু লম্বা হব।

প্রযুক্তি পণ্যের প্রসারের সাথে-সাথে আমরা প্রতিনিয়ত নিজেদেরকে বদলে ফেলছি। নিজেদের সীমাবদ্ধতাকে দূর করার জন্য ইতোমধ্যে অনেকগুলো প্রযুক্তি পণ্য আবিষ্কার হয়েছে। যেমন: 'হিয়ারিং এইডের' কথাই ধরা যাক। এটার সাহায্যে যেকোন বধির মানুষ শোনার ক্ষমতা ফিরে পাচ্ছে। আমাদের হার্ট, দৃষ্টিশক্তি নিয়েও নিত্যনতুন গবেষণা হচ্ছে। আজ থেকে ১০০০ বছর পর আমাদের মাঝে অন্ধ মানুষ থাকবে না, সেইসাথে বর্তমানে আমাদের কাছে যা অদৃশ্য; এমন অনেক বস্তু খালি চোখে দেখার মত ক্ষমতা তৈরি হবে আমাদের মাঝে! তখন আমরা অবলোহিত আলোর কল্যাণে রাতের অন্ধকারেও দেখতে পারব। কিংবা আমাদের চোখই এক্সরে হিসেবে কাজ করবে!

bionic-eye
আমাদের চোখ বায়োনিক চোখের মাধ্যমে প্রতিস্থাপিত হবে


এটার সাথে-সাথে হার্ট এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ প্রতিস্থাপনেও সাফল্য আসবে। হয়তো পুরো মানুষটাই ব্র্যান্ড নিউ হয়ে যাবে! শুধু তাই নয়, আমাদেন জিনগত অনেক পরিবর্তন সাধিত হবে পরিবর্তিত পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে। অনেক মরণব্যাধি পৃথিবী থেকে বিদায় নিবে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, আফ্রিকার অনেকেই এইডস্ এর জীবাণু নিয়েও স্বাভাবিক জীবন-যাপণ করছেন। তাই আজ থেকে ১০০০ বছর পর আমরা এমন এক প্রজাতির মানুষ পেতে যাচ্ছি, যারা রোগ-জীবাণু এবং প্রতিকূল পরিবেশের সাথে দারুণভাবে খাপ খাইয়ে নিবে। হয়তো আপনি সেটা দেখে যেতে পারবেন না। যদি না জিনগত পরিবর্তন ঘটিয়ে আপনিও হাজার বছর বেঁচে থাকার মত উপায় বের করে ফেলেন! কে জানে, এটাও হয়তো বাস্তব হতে পারে ১০০০ বছর পর।
আবিষ্কার হয়ে যেতে পারে হাজার বছর বেঁচে থাকার ফর্মূলা



বিজ্ঞানীরা বর্তমানে ইঁদুরের ব্রেন অদল-বদল ঘটিয়ে  ইঁদুরের স্মৃতি সংরক্ষণ করে সফলতা পেয়েছেন। তাই বলা যায়, হাজারখানেক বছর পরেও আপনার স্মৃতি অন্য কেউ বয়ে বেড়াবে! কিংবা আপনার স্মৃতি কম্পিউটারের হার্ডডিস্কে হাজার বছর জমা থাকবে।

কখনো যদি মানুষকে বাধ্য হয়ে মঙ্গলে বসবাস করতে হয়, তবে প্রথমত মানুষের চোখের পিউপিলের আকার বৃদ্ধি পাবে। কারণ পৃথিবীর তুলনায় মঙ্গলে ৬৬ শতাংশ কম সূর্যের আলো পৌঁছায়। তাই ভালো করে দেখতে হলে মানুষের চোখের পিউপিল প্রসারিত করতে হবে। এটা ছাড়াও মঙ্গলে মানুষের উচ্চতা পৃথিবীর তুলনায় বেশি হবে। কারণ পৃথিবীর তুলনায় সেখানকার গ্র্যাভিটেশন বল কম। যার কারণে মানুষের স্পাইনাল দ্রুত বাড়ার সুযোগ পাবে। কিন্তু পৃথিবীর গ্র্যাভিটেশন বল বেশি হওয়ায় আমাদের বৃদ্ধি কিছুটা ধীর গতির।

আজ থেকে ১০০০ বছর পর মানুষের শারীরিক শক্তি এবং পুষ্টির চাহিদা আরও ভালোভাবে পূরণ হবে। উচ্চ খাদ্যশক্তিতে ভরপুর শস্য উৎপাদনের মাধ্যমে মানুষ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে, এবং অল্প খেয়ে বেশি পুষ্টি পাওয়ার মত খাদ্য আমাদের তালিকায় যুক্ত হবে। পরিবেশ দূষণ রোধে কার্যকরী হবে আমাদের সরকারগুলো এবং মানুষও প্রযুক্তির কল্যাণে আরও সচেতন হয়ে উঠবে। তবে রাষ্ট্রগুলো আরও ছোট হয়ে যাবে আকারে। ইতোমধ্যে পৃথিবীর একটা বড় অংশ সমুদ্রে হারিয়ে যাবে।
আমরা সৃষ্টির পর থেকে নিজেদের বদলের মধ্যে রাখতে পেরেছি। যা আমাদেরকে আজকের বর্তমানে আনতে পেরেছে। পৃথিবীর সবচেয়ে সফলতম টিকে থাকা প্রাণিগুলোর ভেতর মানুষ অন্যতম। তাই নিজেদের যত পরিবর্তনের ভেতর রাখতে পারব, তত এই গ্রহটির সাথে মানিয়ে নিতে পারব আমরা। যেখানে গতিই জীবন, আর স্থিতি মানে মৃত্যু।

Saturday, February 24, 2018

অদ্ভুদ পাখির ভাষায় কথা বলে যে জনপদের মানুষ!

পৃথিবীতে মানুষের আগমনের পর, মনের ভাব প্রকাশ কিংবা প্রতিদিনের কাজ-কর্মের প্রয়োজনে আমরা একটা মাধ্যম তৈরি করেছিলাম। যাকে আমরা ভাষা বলি। মনের অনুভূতি প্রকাশের একমাত্র মাধ্যমটি হলো ভাষা।
সময় থেকে সময়ে, জনপদ থেকে জনপদে,  মানুষের যোগাযোগের মাধ্যম ভাষাও নিজের রূপ বদলাতে শুরু করে। যার ফলাফল হিসেবে পৃথিবীতে আজ পর্যন্ত সৃষ্টি হয়েছে অগণিত ভাষা। তাদের বেশিরভাগই সময়ের সাথে হারিয়ে গেছে। বর্তমানে পৃথিবীতে ৬০০০ এর মত ভাষা রয়েছে। যার ভেতর শিস ভাষা একটি। তুরষ্কের একটি জনপদ নিজেদের সাথে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে, শিস ভাষা ব্যবহার করে।
ফ্লুয়েন্ট বাংলার আজকের পর্বে আমরা বিলুপ্তপ্রায় এই ভাষাটি সম্পর্কে জেনে নিব।
                 
whistle-language

তুরস্কের অটোমান সাম্রাজ্য তখন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছিল। অটোমানরাই প্রথম 'শিস ভাষাকে' বিশ্বের কাছে পরিচিত করে দেয়। তবে তারা শিস ভাষাকে জোর করে কারও উপর চাপিয়ে দেয় নি। সাম্রাজ্য যত বাড়ছিল, অধিকৃত লোকালয়ের মানুষগুলোও নিজেদের প্রয়োজনে শিস ভাষা শিখে নেয়। এটা তাদেরকে অটোমানদের সাথে, তাদের সংস্কৃতির সাথে মানিয়ে নিতে সহায়তা করছিল।
সময়ের সাথে পৃথিবী বদলেছে। একসময়ের পরাশক্তি তুরস্ক এবং অটোমানরা একটা নির্দিষ্ট অঞ্চলের ভেতর আবদ্ধ হয় পড়ে। কিন্তু ৫০ বছর আগেও শিস ভাষাটি ছিল জীবন্ত।
তুরস্কের বহু অধিবাসী এই ভাষাটি ব্যবহার করলেও বর্তমানে 'ব্ল্যাক সি' এর কাছাকাছি কয়েকটি জনপদ এই ভাষায় কথা বলে।
শিস ভাষায়, মানুষ মুখে বিভিন্ন রিদমের শিস বাজিয়ে নিজেদের ভেতর যোগাযোগ রক্ষা করে। যা অনেকটা পাখির ডাকের মত। তুরস্কের 'কুসকয়' গ্রামের মানুষ আজও নিজেদের ভাষাটিকে জীবন্ত রেখেছেন। পাহাড়ের কোলে গড়ে ওঠা এই জনপদে প্রায় ১০০০০ মানুষ বাস করে। তাদের নিত্যদিনের যোগাযোগের মাধ্যম অদ্ভুদ এই ভাষাটি।
ইউনেস্কো বিলুপ্তপ্রায় ভাষাটিকে জীবন্ত রাখতে হাতে নেয় অনেকগুলো উদ্যোগ। যার একটি ধাপ হলো, ভাষাটি ইউনেস্কোর ইনটেনজিবল কালচারাল হেরিটেজ হিসেবে মর্যাদা লাভ করে। সেই জনপদে অনেকগুলো বিদ্যালয় তৈরি করা হয়েছে শুধুমাত্র এই ভাষাটি ছোটদের শেখানোর জন্য।
কিন্তু তারপরও এই গ্রামের মানুষদের মতে, প্রযুক্তির প্রসারের কারণে তাদের ভাষাটি একসময় সত্যিই বিলুপ্ত হয়ে যাবে। তাদের আশংকা সময়ই বলে দিবে।

Wednesday, February 21, 2018

চাঁদ না থাকলে পৃথিবীর কি হত?


ছোটবেলায় আমরা চাঁদের বুড়ির চরকা কাটার গল্প শুনেছি। রাতের বেলা আকাশের যে বস্তুটি আমাদের মায়াময় একটি পরিবেশ উপহার দেয়, তার নাম চাঁদ। সেই আলোতে নিজেকে অদ্ভুদ আর রূপকথার কোন প্রাণি ভেবে বসতে পারেন।
       
moon & earth
চাঁদ আর পৃথিবী
                
চাঁদ পৃথিবীর একটি উপগ্রহ, যা কিনা কোটি বছর আগে পৃথিবীর সাথে সঙ্ঘর্ষের কারণে নিজের একটা অবস্থান তৈরি করে নেয়।

আর যদি কোন চাঁদ না থাকত তবে কি ঘটত পৃথিবীতে?
ফ্লুয়েন্ট বাংলার আজকে পর্বে এমন ৫ টি ঘটনা নিয়ে জানব, যেগুলো চাঁদের অনুপস্থিতির জন্য পৃথিবীতে ঘটবে...

১. যদি চাঁদ না থাকত তবে পৃথিবীর রাতগুলো আরও অন্ধকার হত। কারণ সুক্র গ্রহ পৃথিবীকে ততটা আলোকিত করতে পারে না। আর পূর্ণ চাঁদের আলো শুক্র গ্রহের চাইতে ২০০০ গুণ বেশি। যেটা পৃথিবীকে অনেকটাই আলোকিত করে।

২. চাঁদ না থাকলে পৃথিবীর দিনগুলো হত ৬ ঘন্টার। এর ফলে এক বছরে হাজারটা দিন থাকত! কারণ তখন পৃথিবীর গতি কমে যেত।এজন্য চাঁদকে ধন্যবাদ দিতে হয়। চাঁদ পৃথিবীর সাথে গ্র্যাভিটেশনাল বল দিয়ে ভারসাম্য তৈরি করেছে।
moon gives us light
আলোকিত পৃথিবী
                        



৩. পৃথিবীতে যতগুলো সমুদ্র রয়েছে সবগুলোর ঢেউ আরও কমে যেত। জোয়ার-ভাটার শক্তি কম হওয়ায় সহজে দ্বীপ সৃষ্টি হত না।
solar orbit
চাঁদ পৃৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করছে



৪. চন্দ্রগ্রহণ কিংবা সূর্যগ্রহণের মত বিষয়গুলোর সাথে আমরা পরিচিত হতাম না। কারণ সূর্যের আলোকে বাধা দেয়ার মত কিছুই থাকত না।

৫.  পৃথিবী এখন নিজ অক্ষের দিকে যতটা  হেলে রয়েছে, চাঁদ না থাকলে এটা বদলে যেত। যার কারণে পৃথিবীতে প্রাকৃতিক দুর্যোগ বেড়ে যেত।পৃথিবী ২৩.৫ ডিগ্রি কোণে হেলে রয়েছে। সোলার সিস্টেমে চাঁদ না থাকলে পৃথিবীতে কোন ঋতু থাকত না। কিংবা একটি ঋতুই থাকত। যা পৃথিবীতে প্রাণের বিকাশকে থামিয়ে দিত। এক সময় পৃথিবীতে কোন প্রাণই থাকত না।

 তাই রাতের আকাশে  আরেকবার যখন তাকাবেন, একবার ভেবে নিবেন চাঁদ আমাদের কতটা উপকার করছে।  পৃথিবীতে রাতের সৌন্দর্য আর প্রাণের স্বাভাবিক বিকাশ ঘটানোর জন্য চাঁদের বিকল্প নেই।

Friday, January 12, 2018

ojooo-তে কাজ করে আয় করুন মাসে ৫০০০ টাকা!

Ojooo একটি রাশিয়ান পিটিসি সাইট। এটি বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এতে খুব সহজে একাউন্ট খোলা যায় ও খুব সহজে এ্যাড দেখে আয় করা যায়। এই সাইটে প্রতিদিন ৩০ টির বেশি এ্যাড এবং প্রতিটি এ্যাড দেখলে ০.০০১ থেকে সবোচ্চ ০.০১ প্রদান করে। একটি এ্যাড দেখতে ৫ থেকে ৬০ সেকেন্ড সময় লাগে। সময় যত বেশি প্রেমেন্ট ও তত বেশি (যেমনঃ ৫ সেকেন্ডের এ্যাডে ০.০০১, ৩০ সেকেন্ডের এ্যাডে ০.০০৫ ও ৬০ সেকেন্ডের এ্যাডে ০.০১)। এটি paypal, payza ও okpay এর মাধ্যমে Payment দেয়। Ojooo মাত্র ২ ডলার হলেই Payment দেয়।
একাউন্ট খোলার নিয়মঃ
সবার আগে ভালো দেখে একটা vpn- ইনস্টল দিবেন।তাহলে একাউন্ট খুলতে সুবিধা।ভিপিএন চালু রেখে একাউন্ট খুলুন।কয়েকদিন পর আর ব্যবহার করা লাগবে না।
এই ভিপিএন ব্যবহার করুন
তারপর গুগল ক্রোম কিংবা ইউসি ব্রাউজার থেকে প্রথমে https://wad.ojooo.com/register.php?ref=astronaut007
এই ঠিকানায় যাবেন।তারপর sign up অপশনে যাবেন। সেখানে একটি ফর্ম পাবেন।ফর্মটি পূরণ করবেন।
এরকম উইন্ডো আসবে
Username: এ ইউজার নেম (যেমন warisha567)
Password: একটি পাসওয়ার্ড (এমন পাসওয়ার্ড দিতে হবে যাতে একটি বড় হাতের অক্ষর ও একটি নম্বর সহ মোট ৮ টি অক্ষর থাকে, যেমনঃ Nnnnn123),
Confirm password:  পাসওয়ার্ডটা আবার দিবেন
Account e-mail: একটি ইমেল এড্রেস( abc@gmail.com)
referral: astronaut007 (এটা না দিলে পরবর্তীতে আমার সাহায্য পাবেন না।আপনি এটা দিলে কোম্পানি বুঝবে আপনি ফেক না।তাড়াতাড়ি একাউন্ট কনফার্ম করবে)
Payments: এ paypal, payza থাকলে payza অপশনে উপরে ব্যবহার করা ইমেইলটি দিন।পেইজা একাউন্ট পরে খুলবেন।এটার মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে টাকা তুলতে পারবেন।পেইজা একাউন্ট খুলতে এখানে ক্লিক করুন।
captcha: i am not aa robot এ ক্লিক করুন। একটি ছবি আসবে। যে ছবিগুলোতে ক্লিক করতে বলবে সেগুলো  সবগুলো ছবি পূরণ করুন।যেমনঃ road sign বললে যেসব ছবিতে রোড সাইন আছে টিক দিবেন।
Terms of Service agreement: এর Yes এ ক্লিক করুন।
সবগুলো তথ্য ঠিক মতো দেওয়া হলে Register এ ক্লিক করুন। তাহলে আপনার ইমেলে Ojooo একটি ম্যাসেজ পাঠাবে।
৩। ই-মেইলে প্রবেশ করে ইনবক্স থেকে একাউন্ট Conform করুন।তারপর একটি কনফার্ম মেসেজ আসবে।
(আপনার দেয়া সবগুলো তথ্য একটা নোটে লিখে রাখুন।ভুলে গেলে সমস্যা)
এ্যাড দেখার নিয়মঃ
১। প্রথমে http://wad.ojooo.com/login.php ওপেন করে
Access your account এর Username: আপনার ইউজার নেম,
Current password: আপনার পাসওয়ার্ড দিন।
আর captcha তে যা করতে বলে করুন।
এরপর Login এ ক্লিক করুন। একটু পর Logging on to server… লেখা দেখাবে আর আপনার একাউন্ট ওপেন হবে।
২। এবার উপরে বাম পাশে  Paid to click ads এ ক্লিক করুন।
এ্যাড পেজ ওপেন হবে। এখানে মূলত দুই ধরণের এ্যাড রয়েছে।
ক)Fixed ad
খ) Paid to click advertisement
৩। এ্যাড দেখতে যেকোন একটিতে ক্লিক করুন। নতুন ট্যাব ওপেন হবে এবং টাইম কাউন্ট ডাউন হবে (৫ সেকেন্ডের এ্যাড হলে ৫ থেকে, ৩০ সেকেন্ডের এ্যাড হলে ৩০ থেকে, ৬০ সেকেন্ডের এ্যাড হলে ৬০ থেকে)।
প্রিমিয়াম এ্যাড ছাড়া সব এ্যাড দেখতে পারবেন।
তাছাড়া ojooo এর নিজস্ব এ্যাপ পাবেন প্লেস্টোরে।ওই এ্যাপ থেকেও এ্যাড দেখতে পারেন।তাহলে ১ সেন্ট বেশি পাবেন প্রতিদিন।
কিভাবে আয় বাড়াবেনঃ
অন্যান্য পিটিসি সাইটের মত Ojooo এ আয় বাড়ানোর উপায় হল রেফারেল এর মাধ্যমে। বাম পাশে Referral Tools এ ক্লিক করলে আপনি একটা লিঙ্ক পাবেন। এই লিঙ্ক টা দিয়ে কেউ জয়েন করলে সে যত টাকা আয় করবে তার একটা অংশ আপনি পাবেন। তার মানে যত রেফারেল তত আয়। আপনি ফেসবুক, ব্লগ, এমনকি সরাসরি আপনার বন্ধুদের কে Ojooo এর কথা বলতে পারেন। আপনি একাউন্ট খোলার পর থেকে রেফারেল করতে পারবেন।
তাছাড়া আপনি রেফারেল কিনতে পারবেন। আপনার যখন ০.২০ ডলার হবে তখন আপনি এই টাকার বিনিময়ে ১ জন রেফারেল ভাড়া নিতে পারবেন। যারা ১ মাস আপনার জন্য কাজ করবে। তাহলে শুরুতে আপনাকে ০,২০ ডলার হওয়া পযন্ত একা একা কাজ করতে হবে।
ফরমুলা- ১ টাকা ইনভেস্ট না করে কিভাবে ইনকাম করবেন
# 1 মাস ক্লিক করার পর আপনি 1$আয় করতে পারবেন।এই 1$ না তুলে(Withdraw না করে) 1$ দিয়ে ৫ টি Rented Referral কিনবেন।
# 5 টি RR এর কারনে 10 দিনেই আবার 1$ ইনকাম করবেন। ঐ 1$ দিয়ে আবার ৫টি RR কিনবেন।
# 10 টি RR এর কা্রনে 5 দিনেই আবার 1$ ইনকাম করবেন। ঐ 1$ দিয়ে আবার ৫টি RR কিনবেন।
# এইভাবে ১মাস RR কিনতে থাকলে যখন 50 টি RR হয়ে যাবে হবে তখন RR কিনা স্টপ করবেন। ২০ দিনে 20$ হয়ে যাবে।
# এখন 20$ দিয়ে 100 RR কিনুন। এখন 20 দিন পর আবার 30$ জমা হবে আপনার অ্যাকাউন্ট এ।
# ঐ 30$ দিয়ে আবার 150 RR কিনুন। সুতরাং এখন আপনার টোটাল 300 RR আছে।( এই কাজ করতে কিন্তু ৩-৪ মাস লাগবে।)
### এখন থেকে এই 300 RR বাড়াতে মাসে 60$ লাগবে। যদি সব RR কাজ করে তবে মাসে 180$ ইনকাম করতে পারবেন।কিন্তু আসলে সব RR সব দিন কাজ করে না। যাই হোক ধরে নিলাম 200 RR প্রতিদিন কাজ করে তাহলেও আপনি মাস শেষে 120$ ইনকাম করতে পারবেন।
কিভাবে টাকা তুলবেনঃ
মাত্র ২ ডলার হলে Ojooo থেকে payza ও paypal অথবা, okpay এর মাধ্যমে আপনি আপনার আয় তুলতে পারবেন। paypal বাংলাদেশে সাপোর্ট করে না। তাই payza এর মাধ্যমে আয় তুলুন।
শর্ত :ভুলেও নিজের ১ টাকাও ইনভেস্ট করবেন না। আমি বারবার বলতেছি আগে পুরো ব্যাপার টা বুঝার চেষ্টা করেন। Forum ঘাটাঘাটি করেন। সব কিছু বুঝতে ৪-৫ মাস সময় লাগতে পারে। কিন্তু অনেকেরই এই ৪-৫ মাস ধৈর্য নাই। ১৫-২০ দিন পরে হয় ক্লিক করা বাদ দিয়া দেয় অথবা না বুঝে ইনভেস্ট করে ধরা খায়। তাই আগে শুধু ক্লিক করে দুই একবার টাকা($) Withdraw করেন। বুঝেন তারপর ইনভেস্ট করেন বা না করে Direct Referral ইনকাম দিয়ে RR কিনে টেস্ট করেন। অথবা আমার ফরমুলা অনুসরন করুন।
শর্ত : আপনাকে প্রতিদিন অবশ্যই Fixed advertisement গুল ক্লিক করতে হবে। দৈনিক ৪ টা করে এই ধরনের অ্যাড পাবেন।আগে এই ধরনের অ্যাড ক্লিক করে নিয়ে তারপর অন্য অ্যাড ক্লিক করবেন।তা না হলে রেফারেল ইনকাম পাবেন না।এছাড়া তাদের নানারকম অফার আছে যেগুলি ব্যবহার করে দিনে ২০-৩০ ডলার ঙআয়ের উদাহরন রয়েছে।
[ এই সাইট এ আপনি আপনার Android  ফোন থেকেও কাজ করতে পারবেন।
বিঃ দ্রঃ দেখুন অনলাইনে অনেক টাকা উড়ে কিন্তু তা ধরা কঠিন। বাস্তব জীবনের মতই অনলাইনে কষ্ট করে আয় করতে হয়। রাতারাতি বড়লোক হওয়ার কোন উপায় নেই। PTC সাইট এ সফল হতে হলে লেগে থাকার মনোভাব থাকতে হবে। ১ মাস থেকে ২ মাস কাজ করে বন্ধ করে দেয়ার চিন্তা থাকলে আপনাকে বলবো আপনি এখানে কাজ করার দরকার নাই শুধু সময় নষ্ট হবে। কাজ করলে ৬ মাস থেকে ১ বছর ধারাবাহিক ভাবে কাজ করতে হবে। তবেই সফল হবেন। কোন সমস্যা হলে আমি তো আছি
বিঃদ্র- কখনো একটি ডিভাইসে একটির বেশি একাউন্ট খুলবেন না। তাহলে ব্যান হয়ে যেতে পারেন।

Wednesday, January 10, 2018

১৫ টি সঠিক সময়ে তোলা ছবি, যেগুলো প্রমাণ করে বাতাসেরও সেন্স অব হিউমার উঁচু মানের!

এমন কি কখনো হয়েছে, বাতাসের তোড়ে আপনার স্বাভাবিক অবস্থার বিচ্যুতি হয়েছে? আপনার মনোযোগ কিছুক্ষণের জন্য হলেও সরিয়ে দিতে পেরেছে? এমনটি হয়ে থাকলে বলা যায় আপনি প্রকৃতির সান্নিধ্য পেয়েছেন! হতে পারে আপনাকে চূড়ান্ত বিরক্ত করে ছেড়েছে। কিন্তু বিশ্বাস করুন, বাতাস অতটা খিটখিটে না! তারও উঁচু মানের 'সেন্স অব হিউমার' আছে। সঠিক সময়ে তোলা নিচের ছবিগুলো অন্তত তাই বলে। মাঝে-মাঝে একটু বেরসিক কাজও করে বটে!

১. মুহূর্তটা যখন রোমান্টিক!
wind in hair.png

২.মহিলা মোটেই প্রেগন্যান্ট না!
cloth-displace-in-wind

৩. তার গলায় কি অক্টোপাস!
motor-cycle-in-wind

৪. পোপের সাথে মজা করতে হয়না!
wind-playing-with-pope

৫. বাতাসকে বললাম একটু জোরে বইতে। তারপর...!
cause-of-accident

৬. আগের ডিজাইনটা মোটেই ভালো লাগছিল না!
wind-displaced-table-cloth

৭. সাইকেল মালিকের সাথে পূর্বশত্রুতা ছিল বাতাসের!
iceberg-in-cycle

৮. এভাবেই কত রোমান্টিক জুটি হয়ে যায়! 
dog-in-wind

৯. ভুয়া লনের ঘাসে দোল খেতে রাজি নয় সে! 
fake lawn in wind




১০. সাদার সাথে লাল, এ কেমন হাল!
car-accident-in-wind


১১. বাতাসকে আন্ডারইস্টিমেট করতে নেই!
oil-station-accident-in-wind

১২. এখন জ্যাকেট দিয়েই হয়ে যান গ্লাইডার!
gliding-in-wind

১৩. ওপস! বাতাস বড্ড দুষ্টু!
wind-playing-with-skirt

১৪. আজ শহরে ছাতা নিয়ে বেরুনো নিষেধ!
umbrella-in-wind

১৫. মেকিং আমেরিকা গ্রেট এগেইন!
trump-falls-in-wind

ছবিসূত্র: ইন্টারনেট


Friday, January 5, 2018

বিড়ালের চোখের কিছু ছবি যা আপনাকে অবাক করবে!

বিড়াল সবার কাছেই আদুরে একটি পোষা প্রাণি। এর শরীরের গঠন আর মায়াবী চেহারা আপনার মনকে নিমেষেই জয় করে নিতে যথেষ্ট।  তাই অনেকেই বাসায় বিড়াল রাখেন। ছোট প্রাণিটা তখন ঘরময় ছুটোছুটি করে আপনাকে মাতিয়ে রাখে।
বিড়াল দেখতে যেমন বৈচিত্র্যময়,  এদের চোখেরও রয়েছে ভিন্নতা। চলুন, আজ দেখে আসি বিড়ালের চোখের খুব কাছে থেকে নেয়া কতগুলো ছবি! যেগুলো দেখে একবার হলেও বলে উঠবেন, ওয়াও!
১.এমন করে তাকালে প্রশ্রয় না দিয়ে পারবেন!
eye of cat


২. এ দেখি চোখের উপর বাবল!
eye of cat

৩.সব রং কি ওই গর্ত দিয়ে হারিয়ে যায়!
eye of cat

৪.একটা বুদ্ধি আছে! গর্তের উপর একটা বাবল দিয়ে দাও!!
eye of cat

৫. বিল্লির চোখে এতো আগুন! 
eye of cat

৬.নির্ঘাত জন্ডিস বাঁধিয়েছে!
eye of cat

৭.অদ্ভুদ সুন্দর তার চোখ দুটো!
eye of cat